এখানে এড দিন

Header ADS

সম্প্রতি ভারী শিলাবৃষ্টিতে নীলফামারীতে উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসেট ঘর নষ্ট

ডেক্স নিউস

12 April, 2018 -> 11:01 am.
নীলফামারীর ডিমলায় বালাপাড়া নিউ মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসেট ঘর
সম্প্রতি ভারী শিলাবৃষ্টিতে নীলফামারীর ডিমলায় বালাপাড়া নিউ মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসেট ঘরগুলি নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই শ্রেণী কক্ষে থাকতে পারে না বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি নির্মিত হলে টিনসেট ঘরগুলি নির্মিত হয়। ইআইআইএন নং-১২৪৭৯০, বিদ্যালয় কোড-৬৭২৯। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের নির্মিত পুরনো বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্তির তালিকায় আসতে না পেরে অনেকটা মানবেতর জীবন যাপন করছে শিক্ষক/শিক্ষিকাবৃন্দ। অন্যদিকে গেল মার্চ মাসের ৩০ তারিখে সকালের দিকে প্রচন্ড শিলাবৃষ্টির কবলে পরে বিদ্যালয়টি। প্রাকৃতিক এ দুর্যোগের কারনে বিদ্যালয়টির পুরনো সেই লালচে জারা ধরা টিনগুলি সম্পূর্ন রুপে ফুটো হয়ে একেবারেই নষ্ট হযে যায়। ফলে ক্লাস রুমে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। ভেজে যায় শিক্ষার্থীর বই-খাতা ব্যাগ। ফলে বৃষ্টি হলেই আর শ্রেণী কক্ষে থাকতে পারে না শিক্ষার্থীরা। এদিকে অর্থাভাবে সংস্কার করা যাচ্ছে না বিদ্যালয়টির নষ্ট হয়ে যাওয়া টিন গুলি বলেও জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা নিয়োমিতই ক্লাসে আসে।

 কিন্তু গেল মাসে শিলা বৃষ্টিতে টিনগুলি নষ্ট হওয়ায় এখন আর সামন্য বৃষ্টিতেই ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। তাছাড়া বৃষ্টি হলেই আর শ্রেণী কক্ষে পাঠদান দেওয়াও সম্ভব হয় না। উক্ত বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী মেমতাউল জান্নাত আখি, ১০শ্রেণীর ছাত্রী মোশরেখা আক্তার ও ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী শিরিন আক্তার বলে, গেল মাসে ভারী শিলা বৃষ্টিতে পুরনো লালচে টিনগুলি ফুটো হয়ে একেবারেই নস্ট হয়ে গেছে। পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে শ্রেণী কক্ষের রুমগুলি। এখন সামন্য বৃষ্টিতেই আমরা ক্লাস রুমে থাকতে পারি না। আমাদের লেখাপড়া ব্যাঘাত ঘটছে। সামন্যা বৃষ্টি হলেই আমাদের বান্ধবীরাও আর স্কুলে আসতে চায় না। আমরা চাই দ্রুত সংস্কার কিংবা নতুন টিন দিয়ে মেরামত হউক বিদ্যালয়টি। তা না হলে এই বর্ষায় আমাদের বিদ্যালয়ে এসেও কোন লাভ হবে না। বৃষ্টিতে ভেজে তো আর ক্লাসে বসে থাকা যায় । শিক্ষার্থীর মতোই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক/শিক্ষিকাবৃন্দ জানান বিদ্যালয়টি সংস্কার না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ক্লাসে পাঠদান দেওয়া সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য,বিদ্যালয়টিতে প্রায় সাড়ে তিন’শ শিক্ষার্থীকে ৮ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা পাঠদান দিচ্ছেন।

----উৎস অনলাইন

Share on Google Plus

About Md. Mokhlasur Rahman

0 comments:

Post a Comment