এখানে এড দিন

Header ADS

কু প্ররোচনা ও হীন উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে ফেসবুকে পোষ্ট করে মেয়াদ পূর্তির আগেই বদলী থানার ও,সির

রংপুর কোতয়ালী থানার ও,সি হিসেবে প্রায় ১০ মাস কর্মকাল শেষ করে অদ্য রংপুর থেকে বিদায় নিলাম। স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক ঘটনা- অঘটনের কারণে অনেক শুভাকাঙ্খির সাথে দেখা করতে না পেরে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। এখানকার মানুষ অতিথি পরায়ন,বন্ধু বৎসলও বটে।আইন মান্য করার প্রবনতাও দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশী বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। যাঁরা আমাকে এ সময়ের মধ্যে আইনশৃংখলা রক্ষায় বি্ভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করেছেন, আমি তাঁদের কাছে ঋণী। আমার এ আকষ্মিক বদলীর কারণটি অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়।যদিও আমাকে জনস্বার্থে বদলী করা হয়েছে। সম্প্রতি ফেসবুকে ২০০৭ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন সরকারের আমলে জনৈক ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী কর্তৃক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গুলশান থানা পুলিশ এবং তৎকালীন উপর মহলের নির্দেশে গ্রেফতার হন। আমি ঐ সময় ঢাকা সি এম এম কোর্টে জি আর ও (এস আই) হিসেবে কর্মরত ছিলাম। কোর্ট পুলিশের কাউকেও গ্রেফতারের ক্ষমতা নেই বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না,যা সবারই জানা। কোর্টে যখন কোন ভিভিআইপি আসামী বা অন্য কোন কারণে আসেন তখন উক্ত ভিভিআইপির নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব কোর্ট পুলিশের ওপরই বর্তায়।তারই অংশ হিসেবে আমি সেদিন সেখানে ছিলাম মাত্র এবং কোর্ট প্রাঙ্গনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহিত অন্যান্য পৃলিশের সাথে আমারও একটি ছবি সংবাদকর্মীরা তোলেন এবং সেই ২০০৭ সালের উক্ত ছবিটি কোতয়ালী থানার ওয়ারেন্টি আসামী মোঃ সোহেল রানা মুন কারো কু প্ররোচনা ও হীন উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে ফেসবুকে পোষ্ট করে এবং তা একাধিক ব্যক্তি শেয়ার করে। ফলে fb সহ অন্যান্য গণ মাধ্যমেও তোলপার হয়। বিষয়টি আমি তাৎক্ষনিক ভাবে ষ্ট্যাটাস দিয়ে ও বিভিন্ন ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা সত্বেও রংপৃর মহানগর আঃলীগের সেক্রেটারী জনাব তুষার কান্তি মন্ডল তার কিছু অনুসারী সহ কৃতিম অান্দোলন গড়ে তোলেন এবং আরো অবান্ছিত কর্মসূচী ঘোষণা করে আমার প্রত্যাহার দাবী করেন,যদিও ষ্থানীয় সাংসদ জনাব টিপু মুন্সী সহ অন্যান্য বড় বড় নেতারা তাতে দ্বিমত পোষন করেন। চিলে কান নেয়ার মত ঘটনায় যদি একজন মহানগর পর্যায়ের নেতা এ ধরনের কান্ড জ্ঞানহীন আন্দোলন করে আমার মত একজন নিরীহ, নিরপরাধ, সৎ,কর্মঠ কর্মকর্তাকে বিনা অপরাধে বছরের মধ্যবর্তী সময়ে এবং মেয়াদ পূর্তির আগেই বদলী করিয়ে আমার এবং আমার ছেলেমেয়েদের আত্নসম্মান ভূলুন্ন্ঠিত করেন ও হেনস্তা করেন। সাধারণ মানুষ সহ আমি সকলের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হই। আমি বিশ্বাস করি, দেশে আইনের শাসন আছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কোন অত্যাচারকারীকে প্রশ্রয় দেন না।
যেহেতু বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি বিভ্রান্ত মূলক তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেহেতু বিষয়টি তদন্ত করেই বিচার হওয়া বাঞ্চনীয় এবং এটিই হলো আইনের শাসন। ২০০৭ সালের এই দিনের ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সর্বজনাব এড কামরুল ইসলাম, মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী,এড সানজিদা খানম এম পি,এড সাহারা খাতুন এম পি, এড ফজিলাতুন নেছা বাপ্পী এম,পি, এড নজিবুল্লাহ হিরু,প্রেসিডেন্ট,ঢাকা বার,এড,জনাব আব্দুল্লা আবু, বিজ্ঞ ঢাকা মহানগর পিপি, এড এমদাদুল হক দুলু, বিজ্ঞ পিপি দূদক প্রমূখ। উল্লেখ্য যে, এড রথিশ চন্ত্র বাবুসোনা হত্যা মামলাটির সময়ও তিনি পুলিশকে দোষারোপ করে কর্মসূচী দিয়েছিলেন, কিন্তু আমাদের পেশাদারিত্বের কারনে তা ঐ সময় হালে পানি পায়নি। সকলকে ধন্যবাদ।

----উৎস অনলাইন

Share on Google Plus

About Md. Mokhlasur Rahman

0 comments:

Post a Comment